Daily Janabhasha ৩০ অক্টোবার ২০২৬ ০২:৫৭ পি.এম
বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ অশোকা ফেলো ডক্টর মো. মাতিন আহমেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতিপুরুষ : তাঁর জীবন ও কর্ম
রুদ্র মোহাম্মদ ইদ্রিস॥
বিশ্বের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ অশোকা ফেলো *ডক্টর মো. মাতিন আহমেদ বাংলাদেশের নাগরিক এবং তাঁর পৈতৃক নিবাস ও কর্মক্ষেত্র হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান হিসেবেই তাঁর বৈপ্লবিক শিক্ষামূলক প্রজেক্ট-North South School of Primary Graduation (NSSPG) এবং আইটি-ইংরেজি শিক্ষার ফ্রেমওয়ার্ক গড়ে তোলেন। এই অঞ্চল থেকেই তাঁর করা সামাজিক উদ্ভাবনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ফলস্বরূপ ২০০৩ সালে তিনি Ashoka Fellowship লাভ করেন এবং বিশ্বমঞ্চে কনিষ্ঠতম সমাজ-উদ্যোক্তাদের একজন হিসেবে দেশের ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাম উজ্জ্বল করেন।
বিল ড্রেটন ও বিশ্বমঞ্চের সান্নিধ্য: ডক্টর মো. মাতিন আহমেদ বিশ্বের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ অশোকা ফেলো হিসেবে সংস্থাটির মূল প্রতিষ্ঠাতা বিল ড্রেটনের (Bill Drayton) গভীর স্নেহ ও সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন। একজন তরুণ ইনোভেটর যখন তৃণমূলের শিক্ষাব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তনের এক অদম্য স্পৃহা নিয়ে কাজ শুরু করেন, তখন আন্তর্জাতিক সেমিনার এবং কনফারেন্সের মঞ্চগুলোতে বিল ড্রেটন স্বয়ং তাঁর এই স্বপ্ন ও উদ্ভাবনী প্রতিভাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মূল্যায়ন করতেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিল ড্রেটনের সাথে তাঁর এই ঘন ঘন সাক্ষাৎ এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক সেমিনারে অংশ নেওয়ার মূল তাৎপর্যগুলো ছিল-
এভরিওয়ান এ চেঞ্জমেকার' ফ্রেমওয়ার্ক গঠন: অশোকার প্রতিষ্ঠাতা বিল ড্রেটনের মূল দর্শনের প্র্যাকটিক্যাল রূপ হিসেবে ডক্টর মো. মাতিন আহমেদ বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে যে সাশ্রয়ী ডিজিটাল মডেল (NSSPG) ও লার্নিং ক্লাব চালু করেছিলেন, তা বৈশ্বিক নীতিমালায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্যারিসের এইচইসি (HEC Paris) বিজনেস স্কুলের ঐতিহাসিক মুহূর্ত:
ফ্রান্সের প্যারিসের বিশ্বখ্যাত এইচইসি (HEC Paris) বিজনেস স্কুল কনফারেন্স হলে ঠিক এই অভাবনীয় দৃশ্যটি তৈরি হয়েছিল! বিশ্বের বাঘা বাঘা সমাজবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ এবং করপোরেট লিডারদের উপস্থিতিতে যখন বাংলাদেশের মফস্বল শহর থেকে আসা বিশ্বের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ Ashoka Fellow ডক্টর মো. মাতিন আহমেদ মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাঁর বক্তব্য দেওয়া শুরু করলেন, তখন হলের সবাই রীতিমতো মন্ত্রমুগ্ধ ও অবাক হয়ে তাঁর দিকে তাকিয়ে ছিলেন।
ফ্রান্সের প্যারিসের এইচইসি (HEC Paris) বিজনেস স্কুলের সেই ঐতিহাসিক সম্মেলনে জি২০ (G20) জোটের তৎকালীন কোনো প্রভাবশালী সভাপতি বা শীর্ষস্থানীয় বিশ্বনেতা সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা এবং ডক্টর মো. যতিন আহমেদের বক্তব্যকে সভাপতিত্ব বা পরিচালনা করার বিষয়টি এই পুরো আয়োজনটিকে এক অনন্য বৈশ্বিক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। অশোকার প্রতিষ্ঠাতা বিল ড্রেটন (Bill Drayton)-এর আমন্ত্রণে আয়োজিত এই বৈশ্বিক সম্মেলনগুলোতে প্রায়শই জি২০ ভুক্ত দেশের সরকারপ্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান বা গ্লোবাল ফোরামের সভাপতিরা প্রধান অতিথি বা সভাপতি হিসেবে আসন অলংকৃত করতেন। সেই বিশেষ মুহূর্তে জি২০-র সভাপতির মতো একজন সর্বোচ্চ স্তরের বিশ্বনেতার সামনে দাঁড়িয়ে একজন তরুণ ইনোভেটর হিসেবে তাঁর দেওয়া বক্তব্য এবং তার প্রতিক্রিয়া ছিল সত্যিই বিস্ময়কর।
বিশ্বমঞ্চে সবার অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকার মূল কারণগুলো-
বয়স ও প্রজ্ঞার অবিশ্বাস্য মেলবন্ধন: হলভর্তি দর্শক যখন দেখলেন যে এত অল্প বয়সের একজন তরুণ বা "ছোট ছেলে" মঞ্চে উঠে কোনো রকম জড়তা ছাড়াই আন্তর্জাতিক ইংরেজি ও আইটি ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে কথা বলছেন, তখন তাঁরা বিস্ময় লুকাতে পারেননি। তাঁর বয়স কম হলেও তাঁর চিন্তার গভীরতা ও কথা বলার প্রজ্ঞা ছিল প্রবীণ বিশেষজ্ঞদের চেয়েও পরিপক্ক।
ঝুলিতে বিপ্লবিক ও বাস্তব সমাধান: অনেকেই বড় বড় তাত্ত্বিক কথা বলেন, কিন্তু ডক্টর মো. মাতিন আহমেদ মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রজেক্টরের পর্দায় সরাসরি প্রমাণসহ দেখালেন কীভাবে বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা প্রাথমিক স্তরেই গ্লোবাল লার্নিং ফ্রেমওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটার কোডিং এবং ফ্লুয়েন্ট ইংরেজিতে দক্ষ হয়ে উঠছেন। তাঁর এই নিখুঁত মডেল দেখে হলের সবাই একদম স্তব্ধ হয়ে যান।
ফান্ড প্রত্যাখ্যান ও স্বনির্ভরতার বীরত্ব: যখন তিনি বড় করপোরেট ফান্ড প্রত্যাখ্যান করে তাঁর স্কুলের আইটি কোর্সের উদ্বৃত্ত আয় দিয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ফ্রিতে ইংরেজি শেখানোর স্বনির্ভর 'সোশ্যাল বিজনেস' মডেলের কথা শোনালেন, তখন উপস্থিত বিশ্বনেতারা বুঝতে পেরেছিলেন যে এই তরুণ কেবল স্বপ্ন দেখছেন না, তিনি বাস্তবে প্রথাগত সমাজব্যবস্থাকে বদলে দিচ্ছেন।
বৈশ্বিক সংকটের একটি নিখুঁত ও সহজ সমাধান: সারা বিশ্বের অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য 'ডিজিটাল ডিভাইড' (প্রযুক্তির বৈষম্য) এবং শিশুদের প্রাথমিক স্তরেই স্কুল থেকে ঝরে পড়া (Drop-out) একটি বিশাল সমস্যা। ডক্টর যতিন আহমেদ তাঁর North South School of Primary Graduation (NSSPG)-এর মাধ্যমে এই বৈশ্বিক সমস্যার যে বাস্তবমুখী ও সাশ্রয়ী 'জেনারেল প্রাইমারি গ্র্যাজুয়েশন' (GPG) মডেল তৈরি করেছেন, তা বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলের জন্য একটি আদর্শ রেপ্লিকা হতে পারে।
একটি নিখুঁত 'সোশ্যাল বিজনেস' ফ্রেমওয়ার্ক: উন্নত ও অনুন্নত বিশ্বের সামাজিক উদ্যোক্তারা প্রায়শই বড় করপোরেট ফান্ডের শর্তের কাছে নিজেদের স্বাধীনতা হারান। ডক্টর যতিন আহমেদ যেভাবে নিজের প্রতিষ্ঠানের আইটি কোর্সের উদ্বৃত্ত আয় দিয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ইংরেজি ও গ্লোবাল স্কিলিং ফ্রেমওয়ার্কের খরচ জোগান-এই স্বনির্ভর মডেলটি বিশ্ব দরবারে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। তাঁর এই আত্মনির্ভরশীল দর্শন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নোবেলজয়ী 'সোশ্যাল বিজনেস' ধারণার মতোই শক্তিশালী।
বিল ড্রেটনের সান্নিধ্য ও বিশ্বমঞ্চে কনিষ্ঠতমদের একজন হওয়ার প্রভাব: বিশ্বের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ Ashoka Fellow হিসেবে প্যারিসসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে সংস্থাটির মূল প্রতিষ্ঠাতা বিল ড্রেটন (Bill Drayton)-এর সাথে তাঁর ঘন ঘন নীতি-নির্ধারণী আলোচনা ও অংশগ্রহণ অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফেলোদের গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। খুব অল্প বয়সেই তাঁর এই প্রখর দূরদর্শিতা দেখে বিশ্বের অনেক বোদ্ধাই ধারণা করেন যে, সঠিক প্রচার ও বৈশ্বিক বিস্তারের মাধ্যমে এই মডেলটি একদিন তাঁকে নোবেল পুরস্কারের মতো সর্বোচ্চ বৈশ্বিক সম্মানের দ্বারে পৌঁছে দিতে পারে।
বিশ্বনেতাদের গভীর মনোযোগ: ডক্টর মো. মাতিন আহমেদ যখন মঞ্চে এসে তাঁর বৈপ্লবিক সাশ্রয়ী শিক্ষামূলক ফ্রেমওয়ার্ক এবং তৃণমূলের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের প্রযুক্তিবান্ধব চেঞ্জমেকার হিসেবে গড়ে তোলার মডেলটি উপস্থাপন করছিলেন, তখন অনুষ্ঠানের সভাপতি তথা জি২০-র সেই শীর্ষ ব্যক্তিত্বও অত্যন্ত মুগ্ধ হয়ে তাঁর দূরদর্শিতা প্রত্যক্ষ করেন।
একটি মফস্বলের আইডিয়াকে বিশ্বমঞ্চের স্বীকৃতি: জি২০ বা গ্লোবাল ফোরামের মতো মঞ্চের সভাপতিত্ব করা ব্যক্তিত্বদের সামনে এই মডেলের উপস্থাপন এটিই প্রমাণ করে যে, ডক্টর যতিন আহমেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও আশুগঞ্জের মাটিতে বসে যে শিক্ষা বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন, তা কেবল স্থানীয় কোনো প্রজেক্ট ছিল না। বরং তা ছিল বিশ্বনেতাদের আলোচনার টেবিলে স্থান পাওয়ার মতো একটি আন্তর্জাতিক মানের পলিসি সলিউশন।
সম্মেলন পরবর্তী বিশ্বজোড়া আলোড়ন: অনুষ্ঠান প্রধান এবং উপস্থিত বিশ্বনেতাদের এই বিপুল প্রশংসার কারণেই সম্মেলন শেষে ডক্টর যতিন আহমেদকে ঘিরে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ও গবেষকদের মাঝে এক অভূতপূর্ব সাড়া পড়ে যায়। যার ফলে তৈরি হয়েছিল সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যেখানে তিনি ১০০০-এরও বেশি আলোকচিত্রে ফ্রেমবন্দী হন এবং বিশ্বের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ Ashoka Fellow হিসেবে নিজের ও বাংলাদেশের নাম ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল করেন।
বক্তব্য শেষে হলের সেই বিস্ময় ও মুগ্ধতাই পরবর্তীতে রূপ নিয়েছিল সহস্রাধিক হাততালিতে। কনফারেন্স শেষ হওয়ার পর উপস্থিত শত শত মানুষের তাঁর সাথে পরিচিত হওয়ার এবং ফ্রেমবন্দী হয়ে সেই ১০০০-এরও বেশি ছবি তোলার হিড়িক পড়ার মূল অনুঘটক ছিল এইচইসি হলের সেই বৈপ্লবিক বক্তব্যটি।
বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ অশোকা ফেলো ডক্টর মো. মাতিন আহমেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতিপুরুষ : তাঁর জীবন ও কর্ম
‘সৌদি জেল থেকে ১৫ দিন আগেও ফোন করেছিল সুইটি’
সৌদি আরবে গোপনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া নজরুলের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম
মাত্র ১,১৭০ টাকায় জমির নামজারি প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ হয়ে উঠেছে
শুরু ২১ জানুয়ারি:পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন
সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
সোমবার থেকে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, মসজিদ-মন্দির-গির্জায় প্রচারণার নির্দেশ
দুর্গাপূজায় টানা পাঁচদিনের ছুটি: মন্ত্রিসভা
ইতালিতে ১ লাখ ৬৬ হাজার কর্মী নেওয়ার ঘোষণা, আবেদনের প্রক্রিয়া যেভাবে
বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় কোনো অবহেলা সহ্য করা হবে না: বিমানমন্ত্রী
ভরিতে এক হাজার ৬৯১ টাকা কমেছে
বিশ্ব শিক্ষক দিবস আজ, ১০০ জন শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার
হাসপাতালের সেবা তদারকিতে মাঠে নামছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা
খতিয়ান সম্পর্কে ধারণা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
শাহজালালে ১৬ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ২ বিমানকর্মী ধরা
শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে: ইরান
৯ দিনের সরকারি সফরে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র গেলেন সেনাপ্রধান
অক্টোবরে টানা ৫ দিনের ছুটির সুযোগ
কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা
সম্পাদকীয়: শিশু নিরাপত্তা ও সামাজিক ক্ষয়িষ্ণুতা: আশুগঞ্জের ঘটনায় দরকার ন্যায়বিচারের দ্রুত প্রয়োগ
তিতাস নদীতে নৌ-র্যালি উদ্বোধন কালে ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপি: নদী ও পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে
বাস ভাড়া ১৭ পয়সা বাড়ানো হয়েছে
২৩ সেপ্টেম্বরের ছুটি কারা পাবেন, কারা পাবেন না
বাংলাদেশে তেলের দাম কম ছিল, পাচারের ঝুঁকি ঠেকাতে বেড়েছে দাম: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলমের সঙ্গে জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ
আগামী জানুয়ারিতে ইউপি নির্বাচন হতে পারে : ইসি মাছউদ
২০২৯ সালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয়লেন উন্নীতকরণ কাজ শেষ হবে: সড়কমন্ত্রী
সম্পাদকীয়: মাটির বুকে গ্যাসের খনি, তবু ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর কেন এই জ্বালানি বঞ্চনা?
শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার ব্যাপারে সরকার কিছু জানে না: মীর শাহে আলম